৯ম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ ১৭ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১

৯ম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ ১৭ তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

 

৯ম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ ১৭তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর ২০২১ ৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ১৭তম সপ্তাহের বাংলা উত্তর ২০২১ আজকের পোস্টে, আমি তোমাদের ষষ্ঠ,৭ম,৮ম,৯ম শ্রেণির ১৬তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করবো। ৭ম থেকে ৯ম ও ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৭তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট।

 

৯ম শ্রেণির ১৭ সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

 

“চলমান নির্ধারিত কাজ (এসাইনমেন্ট) কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং পরবর্তীতে  অগাস্ট মাসের ১১ তারিখে পূণরায় এ্যাসাইনমেন্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়।” বিভিন্ন বিষয়ের উপর এসাইনমেন্ট গ্রহন করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

 

নবম শ্রেণির ১৭ তম সপ্তাহের ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্ট উত্তর

 

অধ্যায়ের শিরােনাম: অধ্যায়-তৃতীয়: মানচিত্র পঠন ও ব্যবহার।

অ্যাসাইনমেন্ট: তােমার পাঠ্যপুস্তকে উল্লিখিত আন্তর্জাতিক সাংকেতিক চিহ্নগুলাে ব্যবহার করে বাংলাদেশের একটি মানচিত্র অঙ্কন কর।

নির্দেশনা (সংকেত/ধাপ/পরিধি):

১। পাঠ্যপুস্তকে উল্লিখিত আন্তর্জাতিক সাংকেতিক চিহ্নগুলাে জানতে হবে।

২। ভূসংস্থানিক মানচিত্র, ভূচিত্রাবলি, দেয়াল মানচিত্র দেখা যেতে পারে।

৩। পােস্টার পেপার/ ক্যালেন্ডারের উল্টো পৃষ্ঠা ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

answer:

১। বাংলাদেশের মানচিত্র।

২। আন্তর্জাতিক সাংকেতিক চিহ্ন।

৩। মানচিত্রের শিরােনাম।

শিরােনাম (Title/Heading) : প্রত্যেক মানচিত্রেরই একটি শিরােনাম থাকে। এটি কোনাে দেশের বা কোনাে অঞ্চলের কিসের মানচিত্র এতে তা উল্লেখ থাকে। যেমন- বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র। প্রতিটি মানচিত্র তৈরির সময় এতে একটি শিরােনাম দিতে হবে।

• ফেল (Scale) : কোনাে অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির সময় এর আয়তনকে কমিয়ে ক্ষুদ্র করে আঁকতে হয়। একে স্কেল অনুসারে আঁকা বলে। ফেল থেকে বােঝা যায় কোন আয়তনকে কতটুকু কমাননা হয়েছে। ভেল যত ছােট হবে মানচিত্রে তত বেশি আয়তন দেখানাে যাবে। মানচিত্রে যদি ১:১০০,০০০ লেখা থাকে তাহলে বুঝতে হবে মানচিত্রে ১ একক ভূমির ১০০,০০০ এককের সমান। আবার স্কেল এঁকে দেখানাে হয় যেমন- মানচিত্রে এক ইঞ্চি সমান ভূমিতে কত মাইল বা এক সেন্টিমিটার সমান কত কিলােমিটার।

উত্তর দিক (North Line) : মানচিত্রের দিক জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মানচিত্রের মাথায় বাম দিকের মার্জিনে একটি তীর দেওয়া থাকে। এই তীরের মাথায় উ. লেখা থাকে। উ, দিয়ে উত্তর দিক বােঝানাে হয়। একটি দিক জানা থাকলে আমরা সহজেই অন্যদিকগুলাে যেমন- দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম বের করতে পারি। মানচিত্র তৈরির সময় দিকনির্দেশনা দিতে হবে। মানচিত্রে দিক না দেখানাে থাকলে উপরের দিকে উত্তর দিক বুঝতে হবে। মানচিত্রে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ স্পষ্ট করে দেখানাে থাকলে উত্তর দিক না থাকলেও সকল দিক বােঝা যায়। তাই অনেক সময় এক্ষেত্রে উত্তর দিক দেখানাে হয় না।

সূচক (Legend) : মানচিত্রে কোন প্রতীক দিয়ে কী বােঝানাে হয়েছে সুচক তা নির্দেশ করে। প্রতিটি মানচিত্রেই প্রতীক ও এদের সূচক উল্লেখ করতে হবে। তথ্য উপাত্ত (Source of Data) : সব মানচিত্র তথ্য বা উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হয়। এজন্য তথ্যের উৎস মার্জিন বা মার্জিনের বাইরে দেওয়া প্রয়ােজন।

৪। মানচিত্রে উত্তর দিক নির্দেশ।

 

৫। সূচক।

স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় (Local Time and Standard Time)

আমাদের পৃথিবীকে ৩৬০° দ্রাঘিমারেখা দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। এই ৩৬০° কে আবার মূল মধ্যরেখা থেকে দুই দিকে অর্থাৎ পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ১৮০° করে ভাগ করা হয়েছে।

এই ৩৬০° দ্রাঘিমা পুরােটাই আসলে কাল্পনিক। আমরা জানি পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার পুরােটি ঘুরে আসছে। হিসাব করলে দেখা যাবে ৩৬০° ঘুরে আসতে সময় লাগছে ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ ২৪ x ৬০ = ১৪৪০ মিনিট।

এই ১৪৪০ মিনিটকে ৩৬০° দিয়ে ভাগ করলে (১৪৪০ + ৩৬০) = ৪ মিনিট। অর্থাৎ প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময় লাগছে ৪ মিনিট। স্থানীয় সময় (Local Time) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর যে অংশটি পূর্ব দিকে সেই অংশটিতে আগে সূর্যোদয় বা সকাল হয়। পৃথিবীর আবর্তনের ফলে কোনাে একটি স্থানে সূর্য যখন ঠিক মাথার উপর আসে তখন ঐ স্থানে মধ্যাহ্ন। ঐ স্থানের

ঘড়িতে তখন দুপুর ১২টা ধরা হয়। এই মধ্যাহ্ন থেকেই দিনের অন্যান্য সময়গুলাে ঠিক করা হয়। আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। ঐ স্থান থেকে যত দূরের স্থান হবে সে হিসেবে প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য সময় বাড়বে বা কমবে। স্থানটি যদি সেই স্থানের পশ্চিমের দিকের স্থান হয় তবে এর ১৭ ব্যবধানের জন্য ৪ মিনিট কম হবে। স্থানটি পূর্ব দিকের হলে ১ ব্যবধানের জন্য ৪ মিনিট বেশি হবে। অর্থাৎ পূর্ব দিকের স্থানের সময় নির্ণয়ের জন্য ঐ স্থানের সময়ের সঙ্গে প্রতি ডিগ্রি ব্যবধানের জন্য ৪ মিনিট যােগ করতে হবে। কারণ সেই স্থানটি যেহেতু পূর্বে অবস্থিত তাই সেখানে আগেই মধ্যাহ্ন হয়েছে অর্থাৎ ১২টা বেজেছে।

প্রমাণ সময় (Standard Time)

দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে আমরা সময় ঠিক করি। এভাবে মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থানকে সেই স্থানের দুপুর ১২টা ধরে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করলে সাধারণত একটি বড় দেশের মধ্যে সময়ের গণনার বিভ্রাট হয়। এই সময়ের বিভ্রাট থেকে বাচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত কোনাে একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় ধরা হয়।

দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। আমরা জানি যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে। সেসব দেশগুলাের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কাজের সুবিধার জন্য তারা একাধিক প্রমাণ সময় ব্যবহার করছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের অদূরে অবস্থিত গ্রিনিচের (০° দ্রাঘিমায়) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের পূর্ব দিকে অবস্থিত তাই আমাদের দেশে প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময়ের অগ্রবর্তী অর্থাৎ আমাদের এখানে গ্রিনিচের মধ্যাহ্নের পূর্বেই মধ্যাহ্ন হয়ে থাকে। গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০° অন্যদিকে আমাদের বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। আর আমরা জানি প্রতি ১ ডিগ্রির জন্য সময়ের পার্থক্য

 

Class 9 Geography Answer 2021 [17th Week Geography Solution 2021

Check Also

সপ্তম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

সপ্তম শ্রেণির ৫ম সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২ প্রিয় শিক্ষার্থী  আপনি যদি ৫ম সপ্তাহের সপ্তম …

Leave a Reply

Your email address will not be published.